আজ থেকে সরকার কেশবপুরের প্রতিটি ইউনিয়নে চাষীদের ধান ক্রয় শুরু করেছে

কবির হোসেন

আজ বরিবার থেকে ঈদের আগ পর্যন্ত কেশবপুর উপজেলার পৌরসভা, বিদ্যানন্দকাটি,পাজিয়া, গৌরিঘোনা, সাতবাড়িয়া, ইউনিয়নের সংযুক্ত তালিকাভুক্ত কৃষকগণের বোরো ধান সরকারী খাদ্য গুদামে সংগ্রহ করা হবে । পর্যায়ক্রমে অন্য সকল ইউনিয়নের ধান সংগ্রহ করা হবে ।
সংগ্রহযোগ্য ধানের মান বিবেচনার জন্য নির্দেশনাও প্রকাশ করা হয়েছে। কোন ইউনিয়নে কবে ধান ক্রয় করা হবে তাও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিজানূর রহমান সরাসরি চাষীদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। চাষীদের কাছ থেকে মুনাফাখোর আড়ত ব্যবসায়ীরা কম দামে ধান কিনে মজুদ করে খাদ্য গুদামে দ্বিগুন দামে বিক্রি করত। এছাড়া অকৃষকরা কৃষক সেজে খাদ্য গুদামে প্রতি বছর ধান বিক্রি করে নিজেদের আখের গড়ে আসছিল। চাষীরা ধারদেনা করে আবাদ করা উৎপাদিত ধানের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন। তাদের উৎপাদন খরচও উঠছিল না। এবার ধান কাটার সময় চাষীদের একটি মজুরকে ৬/৭শ' টাকা দিতে হয়েছে। যেখানে আড়তদাররা এক মন ধানের দাম দিচ্ছে মাত্র ৬শ' টাকা!
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের এ উদ্যোগে চাষীরা ন্যায্য দামে এবার খাদ্য গুদামে এক মন ধান ১০৪০ টাকা দরে বিক্রি করতে পারবেন। এমনকি চাষীরা যাতে কোন ঝামেলায় না পড়েন সেজন্য প্রতিটি ইউনিয়নে খাদ্য গুদামের সরকারি লোক ক্যাম্প করে ধান ক্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।