বীর প্রতীক হাজারী লালের লাশটাও দেসে আনা হয়নি


সাজেদ রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক।
তিনি শুকর চরাতেন। নিন্ম শ্রেণির মানুষ। স্থানীয় ভাষায় তাকে বলে ‘কাউরা’, কিন্তু একাত্তরে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে তিনি ঝাঁপিয়ে পড়েন। যুদ্ধ করেন। তাঁর বীরত্বগাঁথা বাংলার ইতিহাসে অমর। তাঁর নামে একটি সড়ক হোক যশোরে। আর যাঁর কথা বলছি, তিনি হলেন বীরপ্রতীক হাজারী লাল তফরদার। হাজারী লাল যশোরের চৌগাছা উপজেলার পাশাপোল ইউনিয়নের রাণীয়ালী গ্রামের রসিকলাল তরফদারের ছেলে। হাজারী লাল তরফদার ওরফে গোসাই, এলাকায় সকলে তাকে গোসাই নামেই জানতেন। দারিদ্রতার কারণে পড়ালেখা খুব বেশি হয়নি। সেই সময় অষ্টম শ্রেণী  পর্যন্ত লেখাপড়া করেই  নেমে যান জীবন সংগ্রামে।
হাজারী লাল, মারা গেছেন, কয়েক বছর আগে, ভারতে চিকিৎসা নিতে গিয়ে। তাঁর লাশ বাংলাদেশে আসেনি। ভারতে দাহ করা হয়েছে। অথচ তাঁর লাশটি বাংলাদেশে আসলে গার্ড অব অনার দেয়া হতো। সেটা তাঁর ভাগ্যে জোটিনি। কারণ, এলাকার জটিল রাজনীতি।