উপজেলার বি কে ইকো গার্ডেন এবং নার্সারী চাষী আফজাল হোসে ও মণিরামপুর উপজেলার উপ-সহকারী কৃষী অফিসার জ্যেতি প্রসদ ঘোষ।
যশোর জেলার মণিরামপুর উপজেলার বি কে ইকো গার্ডেন এবং নার্সারী হতেপারে দক্ষীণ বঙ্গের শ্রেষ্ঠ ফলজ নার্সারী বাগান। চাষী আফজাল হোসেন এইচ এসসি পাস করেও চাকুরী না খুজে নিজের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটাতে স্বচেষ্ট। অজোপাড়াগায়ের কৃষকের ছেলে আফজাল হোসেন। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা পেলেই দিতে পারে শিক্ষিত বেকারদের উৎসাহ ও কর্ম সংস্থানের সুযোগ।আফজাল হোসেনের আম বাগানে হরেক রকমের আমের বাহার গাছে গাছে ধরেছে বোটায় বোটায় ১০/ ১৫ টি আম।
সরেজমিন শুক্রবার গিয়ে দেখা গেছে,চাষী আফজাল হোসেন তার বাগানে চায়নার তৈরী হ্যান্ডি রিপার্ড কলের বলদ দিয়ে নিজে চাষ করছেন। তিনি সেটি কিনে এনেছেন ৬০ হাজার টাকা দিয়ে জমি চাষ করতে।যা দিয়ে ১ লিটার তৈলে ৩৩ শতাংশ জমি চাষ করা যায়। যা বর্তমান সা¯্রয়ী । নিজে শ্রম দেয়া সহ সার্বক্ষণিক এরশাদ আলী, মাহাবুর রহমান, মোস্তফা ৩ জন শ্রমিক কাজ করে থাকেন ঐ বাগানে। প্রত্যেকেকে ৭ হাজার ৫শ টাকা করে মাসিক বেতন দিতে হয়। আবার বাগানের মধ্যে পানি সেচের জন্য ৮০ ফুট মাটির নিচে বসানো হয়েছে বিদ্যুৎ চালিত সাবমার্সিপুল সেচ পাম্প ২ হর্স পাওয়ার বিশিষ্ট মোটর।যার ফলে সহজেই বাগানের গাছ গুলিতে পানি সেচ দিতে সূবিদাসহ সা¯্রয়ী। বাগানে বাগানে রয়েছে ২শ”দশ টি আ¤্রপলি ও মল্লিকা আম গাছ। বর্তমান ফল ধরেছে যে ভাবে আনুমানিক ১শ২০ মণ হতে পারে। বর্তমান বাজার মূল্যে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। পাষের খেতে মাল্টা ফলের বাগান সবেমাত্র ফল এসেছে। গাছে গাছে ধরেছে ৮০/৮৫ টি মাল্টা। খেতে অনেক স্বাদ। বড় হলে বাগানের চিত্রটাই হবে সবুজ আর হলুদ বর্ণের। বাগানে ৬শ” টি মাল্টা গাছ আছে তার মধ্যে ২শ” ৫০ টি গাছে ফল এসেছে। যার বাজার মূল্য হবে ২ লক্ষ টাকা। পাষেই লাগানো হয়েছে থাই পেয়ারা গাছে গাছে ধরেছে পেয়ারা প্রতিটি পেয়ারা পলি দিয়ে বাঁধা। খেতে মিষ্টি ও সূস্বাদু । বাগানে রয়েছে ৬শ” টি পেয়ারা গাছ। বর্তমান বাজারজাত করা হচ্ছে। আনুমানিক বিক্র হবে বাজার মূল্যে ৩ লক্ষ টাকা।চায়না কমলার গাছ রয়েছে ২শ” টি, কাশমেরি আপেল কুল ৩শ” টি, এছাড়া আপেল,আঙ্গুর,কমলা,কামরাঙ্গা,জলপাই পরিক্ষামূলক রোপণ করা হয়েছে।সরেজমিনে এ প্রতিবেদক নার্সারিটি পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন, মণিরামপুর উপজেলার উপ-সহকারী কৃষী অফিসার জ্যেতি প্রসদ ঘোষ।
উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের লাউড়ী গ্রামের মোশাররফ হোসেনের পুত্র আফজাল হোসেন। তিনি এইচ এসসি পাস করেন ১৯৯৭ সালে সেই থেকে তার চিন্তা চাকুরী না খুজে নিজের পায়ে দাড়ানো। দীর্ঘদিন কৃষক পিতার জমি-খেতের কাজ দেখা শোনা করতেন। তিনি ভাবলেন আমাকে নিজে কিছু করতে হবে। তাই নিজের দক্ষতা ও উদ্বাবনী প্রযুক্তিতে শ্যামকুড় মৌজার ‘গজশ্রী খালে’র পার্শবর্তী মালটা-থাই পেয়ারা, হাই ব্রিড আমসহ বিভিন্ন ফলের চারা সংগ্রহ করে শুরু করেন ফলের চাষ। ২০১৪ সাল থেকে তিনি ফল চাষ করে চলেছেন। বর্তমানে আফজাল হোসেন নিজের পৈতৃক ৩ একর ৪২ শতাংশ জমিতে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘ ৬ বছর ৯ মাস ধরে মালটা (বারী-১),থাই পেয়ারা, থাই আমড়া, আম্রপালি, আপেল কুল, ভিয়েতনামী নারিকেল গাছসহ অনেক গাছ লাগিয়েছেন। এছাড়াও তার ফলজ বাগানে আছে ড্রাগন ঔষধী গাছ, পেপে। চাষী আফজাল হোসেন, ফল চাষে সফলতা দেখে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতার ছোঁয়া পেলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির কথা ব্যাক্ত করলেন। ব্যাপক কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক মুক্তি,যুবকদেও উদ্বুদ্বকরণ,পুষ্টি চাহিদা মেটানো,সবুজ বনায়ন প্রকল্প, বাতাসে অক্সিজেন বৃদ্বি এবং পর্যাটন কেন্দ্র, একটি ‘ইকোপার্ক’ ও বাগান সম্প্রসারনসহ ‘গজশ্রী খালে’র উপর ‘ঝুলন্ত ব্রিজ’ করার আশা ব্যাক্ত করেন। আফজাল হোসেন বহুমুখী প্রতিভাধারী একজন সফল চাষী ও সমাজসেবক।
নির্দিষ্ট পরিমান দূরত্বে সারি সারি করে রোপন করা গাছের মধ্যে বিভিন্ন শাক সবজীও চাষ করেছেন। আম্রপালি বাগানে কয়েকটি স্থানে মধু সংগ্রহের জন্য মৌমাছির চাষ করেছেন। মৌমাছির জন্য সরিষা রোপনও করেন।আফজাল হোসেনের বাগান সম্পর্কে মণিরামপুর উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের শ্যামকুড় ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষিবিদ উপসহকারী মো. তবিবুর রহমান বলেন, আমরা নিয়মিত তার ফলজ বাগানে পরিদর্ষণ করি। যার কারনে রোগ বালায় কম হয়ে থাকে। রোগাক্রান্ত হওয়ার পূর্বেই চিকিৎসার পরামর্শ প্রদান করে থাকি। সে কারনে মৌসুমী ফলের চাহিদা মেটায়, শিক্ষিত বেকারদের উৎসাহ বাড়াসহ কর্ম সংস্থানের সৃষ্টি হচ্ছে।
সোহেল পাভেজ
কেশবপুর
যশোর জেলার মণিরামপুর উপজেলার বি কে ইকো গার্ডেন এবং নার্সারী হতেপারে দক্ষীণ বঙ্গের শ্রেষ্ঠ ফলজ নার্সারী বাগান। চাষী আফজাল হোসেন এইচ এসসি পাস করেও চাকুরী না খুজে নিজের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটাতে স্বচেষ্ট। অজোপাড়াগায়ের কৃষকের ছেলে আফজাল হোসেন। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা পেলেই দিতে পারে শিক্ষিত বেকারদের উৎসাহ ও কর্ম সংস্থানের সুযোগ।আফজাল হোসেনের আম বাগানে হরেক রকমের আমের বাহার গাছে গাছে ধরেছে বোটায় বোটায় ১০/ ১৫ টি আম।
সরেজমিন শুক্রবার গিয়ে দেখা গেছে,চাষী আফজাল হোসেন তার বাগানে চায়নার তৈরী হ্যান্ডি রিপার্ড কলের বলদ দিয়ে নিজে চাষ করছেন। তিনি সেটি কিনে এনেছেন ৬০ হাজার টাকা দিয়ে জমি চাষ করতে।যা দিয়ে ১ লিটার তৈলে ৩৩ শতাংশ জমি চাষ করা যায়। যা বর্তমান সা¯্রয়ী । নিজে শ্রম দেয়া সহ সার্বক্ষণিক এরশাদ আলী, মাহাবুর রহমান, মোস্তফা ৩ জন শ্রমিক কাজ করে থাকেন ঐ বাগানে। প্রত্যেকেকে ৭ হাজার ৫শ টাকা করে মাসিক বেতন দিতে হয়। আবার বাগানের মধ্যে পানি সেচের জন্য ৮০ ফুট মাটির নিচে বসানো হয়েছে বিদ্যুৎ চালিত সাবমার্সিপুল সেচ পাম্প ২ হর্স পাওয়ার বিশিষ্ট মোটর।যার ফলে সহজেই বাগানের গাছ গুলিতে পানি সেচ দিতে সূবিদাসহ সা¯্রয়ী। বাগানে বাগানে রয়েছে ২শ”দশ টি আ¤্রপলি ও মল্লিকা আম গাছ। বর্তমান ফল ধরেছে যে ভাবে আনুমানিক ১শ২০ মণ হতে পারে। বর্তমান বাজার মূল্যে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। পাষের খেতে মাল্টা ফলের বাগান সবেমাত্র ফল এসেছে। গাছে গাছে ধরেছে ৮০/৮৫ টি মাল্টা। খেতে অনেক স্বাদ। বড় হলে বাগানের চিত্রটাই হবে সবুজ আর হলুদ বর্ণের। বাগানে ৬শ” টি মাল্টা গাছ আছে তার মধ্যে ২শ” ৫০ টি গাছে ফল এসেছে। যার বাজার মূল্য হবে ২ লক্ষ টাকা। পাষেই লাগানো হয়েছে থাই পেয়ারা গাছে গাছে ধরেছে পেয়ারা প্রতিটি পেয়ারা পলি দিয়ে বাঁধা। খেতে মিষ্টি ও সূস্বাদু । বাগানে রয়েছে ৬শ” টি পেয়ারা গাছ। বর্তমান বাজারজাত করা হচ্ছে। আনুমানিক বিক্র হবে বাজার মূল্যে ৩ লক্ষ টাকা।চায়না কমলার গাছ রয়েছে ২শ” টি, কাশমেরি আপেল কুল ৩শ” টি, এছাড়া আপেল,আঙ্গুর,কমলা,কামরাঙ্গা,জলপাই পরিক্ষামূলক রোপণ করা হয়েছে।সরেজমিনে এ প্রতিবেদক নার্সারিটি পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন, মণিরামপুর উপজেলার উপ-সহকারী কৃষী অফিসার জ্যেতি প্রসদ ঘোষ।
উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের লাউড়ী গ্রামের মোশাররফ হোসেনের পুত্র আফজাল হোসেন। তিনি এইচ এসসি পাস করেন ১৯৯৭ সালে সেই থেকে তার চিন্তা চাকুরী না খুজে নিজের পায়ে দাড়ানো। দীর্ঘদিন কৃষক পিতার জমি-খেতের কাজ দেখা শোনা করতেন। তিনি ভাবলেন আমাকে নিজে কিছু করতে হবে। তাই নিজের দক্ষতা ও উদ্বাবনী প্রযুক্তিতে শ্যামকুড় মৌজার ‘গজশ্রী খালে’র পার্শবর্তী মালটা-থাই পেয়ারা, হাই ব্রিড আমসহ বিভিন্ন ফলের চারা সংগ্রহ করে শুরু করেন ফলের চাষ। ২০১৪ সাল থেকে তিনি ফল চাষ করে চলেছেন। বর্তমানে আফজাল হোসেন নিজের পৈতৃক ৩ একর ৪২ শতাংশ জমিতে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘ ৬ বছর ৯ মাস ধরে মালটা (বারী-১),থাই পেয়ারা, থাই আমড়া, আম্রপালি, আপেল কুল, ভিয়েতনামী নারিকেল গাছসহ অনেক গাছ লাগিয়েছেন। এছাড়াও তার ফলজ বাগানে আছে ড্রাগন ঔষধী গাছ, পেপে। চাষী আফজাল হোসেন, ফল চাষে সফলতা দেখে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতার ছোঁয়া পেলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির কথা ব্যাক্ত করলেন। ব্যাপক কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক মুক্তি,যুবকদেও উদ্বুদ্বকরণ,পুষ্টি চাহিদা মেটানো,সবুজ বনায়ন প্রকল্প, বাতাসে অক্সিজেন বৃদ্বি এবং পর্যাটন কেন্দ্র, একটি ‘ইকোপার্ক’ ও বাগান সম্প্রসারনসহ ‘গজশ্রী খালে’র উপর ‘ঝুলন্ত ব্রিজ’ করার আশা ব্যাক্ত করেন। আফজাল হোসেন বহুমুখী প্রতিভাধারী একজন সফল চাষী ও সমাজসেবক।
নির্দিষ্ট পরিমান দূরত্বে সারি সারি করে রোপন করা গাছের মধ্যে বিভিন্ন শাক সবজীও চাষ করেছেন। আম্রপালি বাগানে কয়েকটি স্থানে মধু সংগ্রহের জন্য মৌমাছির চাষ করেছেন। মৌমাছির জন্য সরিষা রোপনও করেন।আফজাল হোসেনের বাগান সম্পর্কে মণিরামপুর উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের শ্যামকুড় ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষিবিদ উপসহকারী মো. তবিবুর রহমান বলেন, আমরা নিয়মিত তার ফলজ বাগানে পরিদর্ষণ করি। যার কারনে রোগ বালায় কম হয়ে থাকে। রোগাক্রান্ত হওয়ার পূর্বেই চিকিৎসার পরামর্শ প্রদান করে থাকি। সে কারনে মৌসুমী ফলের চাহিদা মেটায়, শিক্ষিত বেকারদের উৎসাহ বাড়াসহ কর্ম সংস্থানের সৃষ্টি হচ্ছে।
সোহেল পাভেজ
কেশবপুর

